আসসালামু  আলাইকুম। সবাইকে ঈদ মোবারক আশা করি সবাই ভাল আছেন।

আজকে আমি Windows 10 (Windows 11 এও কাজ করবে) বেসিক ট্রিকস এবং টিপস নিয়ে ব্লগ সিরিজ লেখার চেষ্টা করব। যারা অনেকদিন ধরে উইন্ডোজ টেন ব্যবহার করেন অথবা যারা উইন্ডোজ টেনের সকল সেটিংস সম্পর্কে অবগত আছেন তারা এই ব্লগ টি স্কিপ করতে পারেন। এটা শুধুমাত্র যারা নতুন ইউজার অথবা Windows 10 সম্পর্কে অত বেশি অবগত নয় তাদের জন্য।

আর এ ব্লগটি কি আমি কত পর্ব লিখব সেটা নির্ভর করবে আপনারা কতটা আগ্রহী তার ওপর, সুতরাং যারা এই ব্লগ থেকে নতুন কিছু শিখতে পারবেন তারা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আমি প্রতিদিন একটি করে পার্ট লেখার চেষ্টা করব।

তাহলে শুরু করা যাক,

 

Windows Run এর ব্যবহার

সাধারণত Windows Key চেপে ধরে R প্রেস করলেই Windows Run Dialog box চলে আসে।


আর এই Windows Run এর মাধ্যমে খুব সহজেই Windows এর বিভিন্ন প্রোগ্রাম খব সহজেই রান করতে পারবেন।

  • এটি আপনার Windows Experience সহজ করে তোলে।
  • অনেক ডিপ এ থাকা সেটিংস খুব দ্রুত রান করে সময় বাচায়।
  • একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে Productivity বাড়ায়।


 

Windows Run এর ২০টি শর্টকাট কমান্ড

নিচে Windows Run এর ২০টি শর্টকাট কমান্ড দেয়া হলো, Windows Key+R প্রেস করে ডায়ালগ বক্স অপেন হলে লাল রংয়ের লেখাটি টাইপ করুন, আপনার কাঙিকত সার্ভিসটি অপেন হয়ে যাবে।

 

  • cmd- এর মাধ্যমে খুব দ্রুত command prompt রান হবে, command prompt এর মাধ্যমে windows এর Advance level এর কাজ গুলো করা হয়।

  • notepad- বিভিন্ন নোটস, text file , কোডিং ইত্যাদি করার জন্যে windows এর বিল্ট-ইন নোটপ্যাড অপেন হবে।

  •  calc- বেসিক ক্যালকুলেটর অপেন করা যাবে।

 

  • control-  Control Panel Open করা যাবে। যেখান থেকে System,Security, Power, Hardware, Sound ইত্যাদি ‍সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।

  • regedit- এই  কমান্ডটি Registory Editor অপেন করে, যা Advance User রা ব্যবহার করে। Windows এর প্রতিটা ফিচারের পেছনে একটি Registory কাজ করে, এসব Registory Edit করে অনেক Advance level এর Tweak এপ্লাই করা যায়।

  • msconfig- System Configuration রান করে, এখানে Windows এর Boot সম্পর্কিত সেটিংস গুলো পাবেন। যারা Dual Windows Boot  করেন, তারাও এটার মাধ্যমে বিভিন্ন পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়াও Startup app, tools  অপশনও পাবেন।

  • taskmgr- Taskmanager রান করার কমান্ড। Taskmanager  আপনি আপনার পিসিতে কোন এপ্লিকেশন কতটুকু রিসোর্স (Ram, CPU, HDD) ব্যবহার করছে তা দেখতে পারবেন। কোন কোন টাস্ক রানিং অবস্থায় আছে তা দেখতে এবং টাস্ক End করতে পারবেন। অনেক সময় কোনো টাস্ক এর কারণে পিসি হ্যাং হয়েগেলে টাস্ক ম্যানেজার থেকে সেই টাস্কটি End করে পিসি হ্যাং ঠিক করা যায়। এছাড়াও Resource Monitor এ ঢুকে কোন এপ্লিকেশন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তাও দেখতে পারবেন।

  • services.msc-  এটাও একটা Advance level এর কাজ। এটাতে আপনি আপনার পিসির সব সার্ভিস দেখতে এবং Disable করতে পারবেন।

  • devmgmt.msc- এই কমান্ড Device Manger অপেন করে, যেখান থেকে আপনি আপনার Driver সমূহ Install, Unistall, Update ইত্যাদি করতে পারেন।

  • osk- এই কমান্ডটি Virtual Keyboard এনাবল করে, যার মাধ্যমে আপনি মাউস ব্যবহার করে টাইপ করতে পারেন।

  • compmgmt.msc- এই কমান্ডটির মাধ্যমে Computer Management Console ওপেন হবে, যাতে অনেক ধরনের টুলস ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন: Task Scheduler, Disk Management,  Event Viewer.

 

  • appwiz.cpl- এই কমান্ডটি App Uninstall উইন্ডো ওপেন করে, যেখানে আপনি এপ্লিকেশন গুলো আন-ইন্সটল করতে পারবেন।

 

  • inetcpl.cpl- এই কমান্ডটি Internet Option ওপেন করবে, যেখানে ইন্টারনেট সম্পর্কিত যাবতীয় সেটিংস আপনি পেয়ে যাবেন।

 

  • ncpa.cpl- সব ধরনের নেটওয়ার্ক সেটিংস ওপেন করবে, যাতে কাস্টমাইজ করা যাবে নিজের মত।

 

  • desk.cpl- ডিসপ্লে সেটিংস ওপেন করবে, স্ক্রিন রেজুলেশন, ব্রাইটনেস ইত্যাদি সেটিংস পেয়ে যাবেন।

 

  • optionalfeatures- উইন্ডোজ এর বিভিন্ন ফিচার ডিজাবল করা থাকে, বিভিন্ন সময় সেগুলো এনাবল করা লাগে, যেমন Net 3.5,  Hyper V, Virtualization ইত্যাদির মত অনেক ফিচার অফ করতে বা অন করতে পারবেন।

 

  • powershell- পাওয়ারশেল এর ব্যবহার নিয়ে আমার প্রফাইলে একটি ব্লগ আছে, সেটি পড়লে ভালো বুঝতে পারবেন।

 

  • winver- উইন্ডোজ ভার্সন কোনটি ইন্সটল করেছেন তা দেখতে পারবেন।

 

  • msinfo32- এইটা অনেক কাজের কমান্ড, কেননা এই কমান্ড দিলে আপনি আপনার ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ এর সম্পূর্ণ ডিটেইলস জানতে পারবেন। ল্যাপটপ মডেল, মাদারবোর্ড মডেল, বায়োস ভার্সন, র‍্যাম মডেল, হার্ডডিস্ক, এসএসডি মডেল সহ সব ধরনের হার্ডওয়্যার ডিটেইলস দেখতে পারবেন।

 

  • firewall.cpl- উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালের অনেক ধরনের কাজ আছে, তবে একদম বেসিক কাজ হচ্ছে,  এটি দ্বারা যেকোনো এপ্লিকেশনের ইন্টারনেট ব্লক করা যায় যা ক্র‍্যাক ভার্সন ব্যবহারের জন্যে অত্যন্ত দরকারি।

 

 


 

সম্পূর্ণ ব্লগটি পড়ার জন্যে ধন্যবাদ
যে কোনো মতামত জানান কমেন্টের মাধ্যমে

এরকম বেসিক ব্লগ আরো পড়তে চাইলে কমেন্ট করে জানান

If you have any question, ,
knock me

📒 Facebook

Shares:
Leave a Reply